১৯৬০ সালের মাট্রিক পাশ করার পর কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য রাজশাহী কলেজ থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করলাম ও ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যথাসময়ে কলেজ অফিসে জমা দিলাম। দিন তারিখ মনে নেই কয়েকদিন পর এক বন্ধু এসে খবর দিল আমাদের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। নোটিশ বোর্ডে নাম দেখে আসলাম ভর্তির তারিখও আছে।
নির্দিষ্ট দিনে ভর্তি হওয়ার জন্য কলেজ গেট দিয়ে প্রবেশ করার সময় দেখলাম গেটের মাথায় লেখা আছে ‘স্থাপিত ১৮৭৩ সাল’ মনে মনে বলে উঠলাম— ওরে বাবা আমার আব্বারও তখন জন্ম হয়নি। যাহোক বিরাট অফিসের বিরাট সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে গ্রাউন্ড ফ্লোরে উঠলাম। একজন জানাল অফিস দোতলায়, পূর্বদিকের সিঁড়ি দিয়ে উঠে যেতে হবে।
সবাই উঠছে দোতলায়, সিঁড়ি থেকে ধপ ধপ শব্দ অবাক হলাম ভালো করে দেখলাম কাঠের সিঁড়ি— এমন সিঁড়ি আগেও না এখনও না কখনও আমি দেখিনি, নতুন অভিজ্ঞতা। যাহোক দোতলায় কাউন্টারে টাকা পয়সা দিয়ে ভর্তি হলাম গর্বে বুক ভরে গেল, ‘এখন আমি কলেজ স্টুডেন্ট’।
ভর্তি হবার পর আমি এক অন্য আমি হয়ে গেলাম। নতুন ফাইল নতুন কাপড় কেনার জন্য বাজারে ছুটাছুটি দারুণ ব্যস্ত। প্রথম দিন কলেজ যাব স্মাট হতে হবে না।
যাহোক ক্লাশ শুরুর তারিখ ও রুটিন নোটিশ বোর্ড থেকে আগেই সংগ্রহ করা ছিল। সেই মোতাবেক কলেজে হাজির হলাম। প্রথম ক্লাশ ছিল হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলে, সম্ভবত ইংরেজি ক্লাশ। টিচার আসলেন জনাব সদর উদ্দিন স্যার, তিনি সকলের নাম ধাম, কোন স্কুল থেকে এসেছি সকল ছাত্র-ছাত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন। পরিচয়পর্ব শেষ হলো, ঘণ্টা বাজল ক্লাশ শেষ।
কয়েকদিনের মধ্যে বইপত্র কেনা হয়ে গেল। তো একদিন স্যার রুটিন মোতাবেক ক্লাশে আসলেন এবং অ্যালবাট্রস ইংরেজি কবিতা পড়ানো শুরু করলেন। সে কি পড়ানো— শৈল্পিক লেকচার। পড়াচ্ছেন আর অ্যালবাট্রস পাখি সমুদ্রের উপর যেমন করে পাখা নেড়ে উড়ে তেমন করে দুই হাত দুই দিকে মেলে পাখির মতো নড়াচ্ছেন আর মুখ দিয়ে শ্বাস নিচ্ছেন সিসি শব্দে যেন পাখির পাখার শব্দ আমরা মোহিত হয়ে শুনছি আর দেখছি তিনি নিজেই পাখি হয়ে গেছেন। আমাদের খুব ভালো লাগল।
বলা দরকার আমরা যারা লোকনাথ স্কুলের ছাত্র ছিলাম, আমরা এক সাথেই কলেজে চলাফেরা করতাম এছাড়া অন্যান্য বন্ধুও ছিল। দ্বিতীয় প্রিয়ড অফছিল তাই বন্ধুরা সবাই মিলে গেলাম তেঁতুমিয়ার ক্যান্টিনে। এখন যেটা রাষ্ট্রবিজ্ঞান ভবন তখন সেটা ছিল না। ঐ জায়গায় ছিল তেঁতুচাচার ক্যান্টিন।
ক্যান্টিনে সব সময় গ্যাঞ্জাম এক আনার একটা সিঙ্গারা দু’আনায় এক কাপ চা (তখন ষোল আনায় এক টাকা ছিল) বলা দরকার এখন যেটা ফুলার ভবন ঐ বিল্ডিংটার নাম ছিল ‘ফুলার হোস্টেল’। ঐ হোস্টেলের একটা বাউন্ডারি ওয়াল উত্তরে এসে কোনা হয়ে পশ্চিমে প্রসারিত ছিল। এই প্রাচীরের কোনটায় ছোট একটা চালা তুলে এক মুচি ছাত্রদের জুতা মেরামত ও কালি করার জন্য বসতো, নাম ছিল মথুরা।
যেহেতু তেঁতুচাচার ক্যান্টিন আর মথুরার জুতা মেরামত, কালি করার ঘর প্রায় কাছাকাছি ছিল তাই সবাই একটু তার ব্রাশের ছোঁয়া জুতা স্যান্ডেলে নিত, জুতা চকচকে হবে তো। লক্ষ্য করেছি কেউ বা মাঝেমধ্যে এদিক ওদিক তাকিয়ে নিজের জুতা রুমাল দিয়ে ঝেড়ে নিত। ফাস্ট ইয়ার তো ব্যাপারই আলাদা।
যাহোক থার্ডপ্রিয়ডে সিভিক্স ক্লাশ। এটা একটা পুরাতন বিল্ডিং পূর্ব-পশ্চিমে অনেক লম্বা মাঝখানে দোতলায় উঠার সিঁড়ি। এই বিল্ডিং এর পূর্ব গায়ে এখন লেখা আছে ১ম বিজ্ঞান ভবন। তখন আমরা বলতাম কমার্স বিল্ডিং। সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠেই ডান দিকের প্রথম ঘরটাতেই সিভিক্স ক্লাশ। আমরা ক্লাশে ঢুকলাম স্যার আসলেন।
স্যার বড় রসিক মানুষ, নাম দীলিপ বাগচী। স্যার ক্লাশটাকে পর্যবেক্ষণ করলেন, রোল কল করলেন। স্যার যে খুব রসিক তা আগেই চাউর হয়ে গিয়েছিল তাই অন্যান্য সাবজেক্টের ছাত্ররাও যাদের ক্লাশ থাকতো না তারাও স্যারের ক্লাশে এসে বসতো। রোল কল শেষ হলে তিনি বললেন, রেজিস্ট্রারে দেখছি শদুয়েক ছাত্রের নাম কিন্তু দেখে তো মনে হচ্ছে তিনশো ছাড়িয়ে যাবে। ব্যাপার কি? তারপর শুরু করলেন, শোন আমি বাপু ইংরেজি টিংরেজি ভালো জানি না তাই তোমাদের বাংলাতেই লেকচার দেবো— তাতে তোমাদের বুঝতে সুবিধা হবে।
স্যারের বসার টেবিল চেয়ারের বাম পাশে পাঁচ ছয়টা বেঞ্চ ছিল ছাত্রীদের বসার জন্য মোট ১৫ জন ছাত্রী বসা ছিল। তো সেই প্রথম দিনটা এলোমেলো ভাবেই গেল।
এখন সবারই বইপত্র কেনা হয়ে গেছে। টাউন লাইব্রেরি আর ফ্রেন্ডস্ স্টোরেই সব পাওয়া গেছে। এই দুই লাইব্রেরিই তখন ছিল শহরের নির্ভরযোগ্য বইয়ের দোকান।
থার্ড প্রিয়ডের পর কোন ক্লাশ ছিল মনে নেই। প্রতিদিন যথারীতি ক্লাশ চলতে থাকলো। একদিন সিভিক্স ক্লাশে দিলীপ স্যার বাংলায় লেকচার দিতে দিতে হঠাৎ থামলেন। সামনের বেঞ্চের এক ছাত্রের দিকে আঙুল নির্দেশ করে বললেন দাঁড়াও, স্যার বললেন, কিহে তুমি কি জীবনে মেয়েছেলে দেখো নাই? ক্লাশ শুরু থেকে খেয়াল করছি তুমি মেয়েদের দিকে তাকিয়ে বসে আছো, লেকচারে তোমার কোনো মনযোগ নাই। শোনো ওদের তো জ্বর হয় সর্দি কাশি হয়, নাক দিয়ে পোটা পড়ে, পেট খারাপ হলে পাতলা পায়খানা করে। আর তুমি পরী মনে করে হাবলার মতো তাকিয়ে আছো। তুমি তাকিয়েই থাকবে আর ওরা পাশ করে সেকেন্ড ইয়ারে চলে যাবে আর তুমি বসেই থাকবে পাশ করতে পারবা না। এই কথা শুনে ক্লাশের সবাই হো হো করে হেঁসে উঠলো। স্যার ধমকের সুরে বললেন, চুপ। তোমরা মনে করেছো একথা শুধু ওকেই বলেছি, তাই কেলিয়ে হাঁসছো, আরে মিয়ারা তোমাদের সবাইকেই বলেছি, তাকান তুকান বাদ দাও লেকচারে মনোযোগী হও, ঠিক মতো পড়াশোনা করো।
এরপর কোন ক্লাশ হয়েছিল মনে নাই। তবে আমরা কয়েক বন্ধু তেঁতুল তলায় কমনরুমের দিকে গেলাম। রাস্তার উত্তরে যেখানটাই মেয়েদের হোস্টেল তার পূর্বদিকে ফাঁকা জায়গাটায় এক বিরাট তেঁতুল গাছ ছিল। ঐ গাছের কাছেই ছিল আমাদের কমনরুম।
বিরাট হলরুম আর এক বিরাট মারফি রেডিও। যেমন রেডিও তেমনই তার আওয়াজ। আকাশবাণী কোলকাতা থেকে প্রচারিত হচ্ছিল, অনুরোধের আসর জনপ্রিয় বাংলা গানের ফরমায়েশি অনুষ্ঠান। সবাই গান শুনছে আমরাও চেয়ার নিয়ে বসলাম। তবে একটা কথা বলা দরকার তখন কোলকাতার ইডেন মাঠে প্রায়ই পাক ভারত ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো আর ঐ খেলা ইডেন থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হতো আকাশবাণী কোলকাতা থেকে। তখন টিভি ছিল না তাই আমরা রেডিওতেই খেলা শুনতাম। এই সম্প্রচারে ধারা বিবরণী দিতেন অজয় বাবু ও কোমল বোস, বড় রসিক মানুষ। তাঁরা কৌতুক করে এমনভাবে বিবরণী দিতেন যে মনে হতো চোখের সামনেই খেলা দেখছি।
যাহোক এবার কলেজ ক্যাম্পাসে ফিরে আসি। এক দুই করে আমরাও পুরাতন হয়ে গেছি। বাংলা স্যার দু-একজনের নাম মনে পড়ে। তাঁদের মোহনীয় লেকচার ও ছাত্রদের প্রতি ভালোবাসার জন্য। তাঁদের দু-একজনের নাম মনে পড়ে সুনীল বাবু অপরজন আবু হেনা মুস্তফা কামাল। ইকোনোমিক্স স্যার কেবল একজনের কথা মনে পড়ে সুলতান স্যার, দারুণ পড়াতেন। ডিমান্ড সাপ্লাই, ইউটিলিটি এমনভাবে পড়াতেন যে বাড়ি এসে পড়া লাগতো না।
ইতিহাস স্যারের কথা মনে পড়ছে না। ওটা না হয় ইতিহাসের পাতাতেই থাক।
আসল কথা বলাই হয়নি, তখন আমাদের প্রিন্সিপ্যাল স্যার ছিলেন জনাব শামসুজ্জামান চৌধুরী। তিনি এতো আমুদে লোক ছিলেন, যে কারণে সব ছাত্রের তিনি প্রিয়পাত্র।
মাঝে মাঝেই অ্যাসেম্বিলি হলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতো কবিতা আবৃত্তি, স্ব-রচিত কবিতাপাঠ, ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে গান পরিবেশন তো ছিলই, মাঝে মাঝে শহরের নামকরা শিল্পীগণও আমন্ত্রিত হতেন। গিটার সেতারের ঝংকারে সবাই মুগ্ধ হতেন। কলেজছাত্র যারা শরীর চর্চাকেন্দ্রে বডি বিল্ড করতো তারাও স্টেজে কসরত দেখাতো। এই রকম অনুষ্ঠানের একদিনের কথা মনে পড়ে, বডি বিল্ডার রুস্তম ভাইয়ের কথা। ঘোষণা মোতাবেক তিনি স্টেজে উঠলেন এবং একটা কাপড় পাঁচ ছয় ভাঁজ করে চোখের উপর রাখলেন। এরপর আধাইঞ্চি মোটা লোহার রড লম্বায় দশ ফুট হবে, সেই রডের একপ্রান্ত চোখে বাঁধলেন আর একজন ছাত্র অপরপ্রান্ত দেয়ালে লাগিয়ে ধরে রাখলেন রড যেন পড়ে না যায়। খেলা শুরু হলো ওয়ান, টু, থ্রি বলার সাথে রুস্তম ভাই চোখ দিয়ে এমনভাবে চাপ দিলেন, রড মধ্য থেকে ভাঁজ হয়ে ভি (ঠ) এর মতো বাঁকা হয়ে গেল। সাথে সাথে হল ফাটানো হাততালি শুরু হয়ে গেল।
এরপর গায়ক ছাত্র সারওয়ার জাহান ভাইয়ের কথা না বললেই না। ঘোষণা হলো তাঁর নাম। তিনি গান ধরলেন, ‘ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না, ও বাতাস আঁখি মেলো না, আমার প্রিয়া লজ্জা পেতে পারে’। ঐ সময়ের পপুলার গান এমন দরদদিয়ে তিনি গাইলেন সবাই মন্ত্রমুগ্ধ। হলে পিনপতন নীরবতা। গান শেষ হতেই প্রিন্সিপ্যাল স্যার চিৎকার দিয়ে বললেন ‘আর একবার’। সাথে সাথেই হাততালি শুরু হয়ে গেল। তিনি সবার মনের কথাই বলেছেন, সারওয়ার ভাই আবার গাইলেন সুমধুর দরদভরা কণ্ঠে। দিনগুলো যে কত আনন্দের ছিল এখন এই বৃদ্ধ বয়সে শুধুই স্মৃতি।
আমাদের সময়ে ছাত্ররা পড়াশোনা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি নিয়েই ব্যস্ত থাকতো। ছাত্রীদের পেছনে ঘুরাঘুরি উত্তক্ত করা এগুলো খুব লজ্জার ব্যাপার মনে করতো। তাই এ সমস্ত ছিলই না।
কলেজ মাঠে ফুটবল, ক্রিকেট খেলা অত্যন্ত প্রিয় ছিল। ইন্টার ডিপারমেন্ট ম্যাচ, ইন্টার কলেজ ম্যাচ ও অন্যান্য খেলার মাঠ সরগরম থাকতো। এমনকি স্কুলগুলোর ইন্টার ডিস্ট্রিক ফুটবল ম্যাচগুলোও এই কলেজ মাঠেই হতো। ফুটবল খেলায় রেফারি থাকতেন বিরেন্দ্র বাবু অ্যাডভোকেট আর একজন ছিলেন রহমত স্যার। রহমত স্যারের বাঁশি বাজানোর যে কৌশল তা মনে রাখার মতো।
অনেক সময় মাঠে খেলার জায়গা না পেয়ে অনেকেই প্রিন্সিপ্যাল স্যারের বাসভবনের পূর্বদিকের ছোট মাঠ যেটা এখন প্রাচীর ঘেরা সেখানেই আসর জমাতো। স্যারের বাসভবনের এরিয়াটা তখন তারকাঁটার বেড়ায় ঘেরা ছিল। তো পূর্বদিকের বেড়ার ধারে অনেক বড় বড় গাছ ছিল আর সেই গাছে অনেক ‘বাদুড়’ ঝুলে থাকতো। দূর থেকে দেখলে মনে হতো ঐগুলোই বোধ হয় গাছের ফল।
কলেজ অফিসের পেছনের পুকুরটি ঘেরা ছিল, পশ্চিম দিকে একটা ঘাট ছিল বটে কিন্তু পুকুরের গেটের দরজায় সব সময় তালাবদ্ধ থাকতো। ছোট একটা সাইন বোর্ডে লেখা থাকতো ‘পুকুরে নামা নিষিদ্ধ’। দক্ষিণ দিকে অনেকটা জায়গা ছিল কিন্তু ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ। কয়দিন আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম। অনেক নতুন নতুন বিল্ডিং ছিমছাম ছবির মতো সুন্দর। পুকুরের দক্ষিণের জঙ্গলপূর্ণ জায়গাটি এখন এতো মনোরম, টাইল্স বাঁধানো কিছুক্ষণ বসলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। পূর্ব পাড়ে বসার সিট, ফুলবাগানে হরিণ বাঘের প্রতিকৃতি সব সময় উন্মুক্ত, মনে হয় কোনো বিনোদন পার্কে এসেছি।
আমাদের সময় কলেজ ক্যাম্পাসের রাস্তাগুলো ভাঙাচোরা আর অপরিচ্ছন্ন ছিল। আর এখন ঝকঝকে পরিষ্কার সুন্দর কংক্রিটের রাস্তা ফাঁকে ফাঁকে খোলা জায়গাগুলো সবুজ ঘাসের কার্পেটে মোড়া। রাস্তাগুলো প্রাত ও সান্ধ্য ভ্রমণকারীদের জন্য মনোরম ও নিরাপদ।
এখন রাজশাহী কলেজ শুধু দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, লেখাপড়া ও পরীক্ষায় রেজাল্টের উচ্চ সাফল্যের জন্য দেশের মধ্যে বিগত কয়েক বছর যাবত শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে সম্মানীত হয়ে আসছে যা রাজশাহীবাসীর গৌরব।
– এডভোকটে মো. আবুল কালাম (১৯৬০)
